ঠিক এই সুযোগেই শোষিত ক্ষমতার দন্ডটি তার হাতে তুলে নেয়। শাসককে সে ক্ষমতাচ্যুত করে। দ্রোহ করে৷ অপদস্থ করে। এবার, শাসকের ভূমিকায় আসে শোষিত আর শাসক নেমে আসে শোষিতের ভূমিকায়। আর, এভাবেই শাসক-শোষিতের সম্পর্ক ধাবমান হতে থাকে ধ্রুপদী নিয়মে। স্বেচ্চাচারের কোনো নিয়ম থাকে না। শাসক যে পথ দেখায় শোষিতকে, শোষিত সে পথের গুরু বনে যায়। সত্যি, শাসক আর শোষিতের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। এরা, একে অপরকে প্রভাবিত করে। সময়ের সাথে এরা শুধু জায়গা বদল করে। অথবা, ভূমিকার রদবদল হয় শুধু। কিন্তু, শাসক-শাসিতের সম্পর্ক ডাইনামিকালি চলতে থাকে দ্রুব গতিতে সমান ত্বরণে। শাসক হয়ে যায় শোষিত, শোষিত বনে যায় শাসক ধ্রুব নিয়মে! শাসক আর শাসিত আসলে একই সমান্তরালে অবস্থিত।
