farheenancy@gmail.com

আধুনিক ব্যাংকিং সিস্টেমঃ আশীর্বাদ না অভিশাপ?

আধুনিক ব্যাংকিং সিস্টেমঃ আশীর্বাদ না অভিশাপ?

আধুনিক বিশ্বব্যবস্থার পরিচায়ক এই ব্যাংকিং সিস্টেম- বলা হয়ে থাকে যে ব্যাংকিং সিস্টেম ও মুক্তবাজার অর্থনীতিই আধুনিকতার গোঁড়াপত্তন করে। লিবারেলিজম, ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদ, কনজুরেজিম বা ভোগবাদ, সেকুলারিজম, গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র- সবকিছুর মূলেই এই ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকিং সিস্টেম বা কাগুজে মুদ্রার প্রচলন, সুদ বা ইন্টারেস্টের ব্যবহার, ঋণ বা লোন এর ব্যবস্থা, সঞ্চয় করা প্রভৃতি পদ্ধতি সমূহ যা চালু আছে বর্তমান ব্যাংকিং সিস্টেমে!

 
কিন্তু আমরা জেনে অবাক হবো এই ফেডারেল ব্যাংকিং সিস্টেম সবচেয়ে বড় একটা ফাঁদ- যেটায় পা দিয়ে পুরো বিশ্ব হাতের মুঠোয় চলে এসেছে মুষ্টিমেয় কিছু লোকের হাতে।

 
এই ধারণাটি আসে, আমেরিকার জর্জিয়ার জেকিল দ্বীপে তৎকালীন কিছু ব্যাংকারদের গোপন মিটিং এর মাধ্যমে। সেদেশের ব্যাংকাররা বিশেষ করে, যে.পি মর্গান ১৯০৭ সাল থেকেই এ বিষয়ের উপর কাজ করছিলেন, একটা কারেন্সি প্যানিক তৈরি করেন, যেন যুক্তরাষ্ট্রের জনগন ফেডারেল ব্যাংকের আইডিয়াটির সাথে অভ্যস্ত হতে পারে ও মেনে নেয়।

যদিওবা, ইংল্যান্ডে ১৬৯৪ সাল হতেই একটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক চালু ছিল যেটি সম্পূর্ণভাবে রথচাইল্ড পরিবারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তখন, ধারণা করা হতো যে তাদের সম্পদের পরিমান ট্রিলিয়ন ছাড়িয়েছিল!

 
তাই তো, ব্যারণ ন্যাথান মায়ের রথচাইল্ড আত্মম্ভরি সহকারে বলেছিলেন,

” আমি মোটেও পরোয়া করি না যে ব্রিটেন যাকে বলা হয়, সূর্য যেখানে কখনও অস্ত যায় না, তার মসনদে যে পুতুল সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, প্রকৃতপক্ষে সেই সরকার চালায় যে সরকারকে অর্থ প্রদান করে, ব্যাংকিং সিস্টেম চালায় আর ব্রিটেনের অর্থ সরবরাহ করি আমি।”

এই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ধারণা এলো, এমন একটি ব্যাংকিং সিস্টেম চালু করা যা যেকোনো দেশে বিদ্যমান অর্থ ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করবে, মানুষকে ঋনগ্রস্ত করবে এবং কর ব্যবস্থার আওতায় আনবে যা কেবলি এই সিস্টেম হতে প্রাপ্ত লাভ সমূহকে উপরি উপরি ঢেকে দেওয়ার জন্যে ব্যবহৃত হবে।

 আর এভাবেই, আধুনিক মানুষ ব্যাংকিং সিস্টেমের শৃঙখলে পড়ে স্বেচ্ছায় দাসত্ব বরণ করবে৷ তারা, তাদের কষ্টে অর্জিত অর্থ দিয়ে কখনও স্বাধীন হতে পারবে না কারন এই অর্থও তাকে ব্যাংকের মাধ্যমে দেয়া হবে যা যেকোনো সময়ে আটকে দেয়া যেতে পারে!

 
কিন্তু, আসল কথা হলো এই ব্যাংকিং সিস্টেমের হর্তা কর্তা ফেডারেল ব্যাংক একটি ব্যাক্তিগত প্রতিষ্ঠান যার সদস্য মাত্র দশজন! অর্থাৎ, পুরো পৃথিবীর সব সম্পদের মালিক এবং নিয়ন্ত্রক এই গুটি কয়েকজন!
তারা হলেন,

১. লন্ডনের রথচাইল্ড ব্যাংক৷
২. হামবার্গের ওয়ারবার্গ ব্যাংক।
৩. বার্লিনের রথচাইল্ড ব্যাংক।
৪. নিউইয়র্কের লেহম্যান ভাতৃদ্বয়।
৫. প্যারিসের লেজার্ড ভাতৃদ্বয়।
৬. নিউইয়র্কের কুহন লওয়েব ব্যাংক।
৭. ইটালির ইসরাইল মোসেস সাইফ ব্যাংক।
৮. নিউইয়র্কের গোল্ডম্যান, সাচরা।
৯. আমস্টার্ডামের ওয়ারবার্গ ব্যাংক।
১০. নিউইয়র্কের চেজ ম্যানহাটন ব্যাংক।

** পিছনের ইতিহাস**

আধুনিক ব্যাংকিং সিস্টেমের জনক জ্যাকব ইগিবি নামক একজন ইহুদি। তখন, জেরুজালেম ব্যাবিলনের অধীনে ছিল। সেসময় জ্যাকব, সুদের ব্যবসা শুরু করেন- অর্থাৎ লাভের বিনিময়ে ধার দেয়া। 

আজ এই সুদের ব্যবসা সর্বব্যাপী – ক্যান্সারের মত ছড়িয়ে পড়েছে দেশে বিদেশে!

 
খ্রিষ্টপূর্ব ৬৪৮-৬২৫ সালে, ব্যবিলনে সম্রাট কানদালানুর শাসনামলে জ্যাকব ইগিবি একটি নতুন ঘটনার জন্ম দেন- আর তা হলো ব্যাংকিং সিস্টেম আবিষ্কার করেন। 

সেসময়, দুটি ধনাঢ্য পরিবার ছিল- ইগিবি পরিবার ও ইরানু পরিবার। এই দুই পরিবার কাল্পনিক নয় কারন, এদের নাম মাটি খুঁড়ে বিভিন্ন প্রস্তর খন্ডে ও শিলালিপিতে পেয়েছে প্রত্নতত্ত্ববিদরা।

 
ইগিবি পরিবারকে প্রথমে আসিরিয়াতে বন্দি করে নেয়া হয়, এরপর তারা ব্যবিলনে চলে আসেন। এই বন্দিদশায় ইগিবি একটি পারিবারিক ব্যবসা দাঁড় করতে পেরেছিলেন। এখন, আমরা বুঝতে পারি সেসময়ের ইহুদিরা কেন মুসা আলাহিস ওয়াসাল্লামের সাথে জেরুজালেমে ফিরে যান নি! বা সুলাইমান আলাইহিসসালাম ওয়াসালামের মসজিদ পুনঃনির্মাণে অংশগ্রহন করে নি, অথচ এটা তাদের ঐতিহাসিক স্থাপনা ছিল!

 
একটা প্রসিদ্ধ মত হচ্ছে যে, ইসা আলাহিস ওয়াসাল্লামকে বা যিশুকে ক্রশবিদ্ধ করা হয়েছে এই ইগিবি ইরানু সহ প্রভাবশালী পরিবারগুলোর ইন্ধনে!

 কারন, ইসা (আঃ) সুদখোরদের জেরুজালেমে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন আর সেই ঘোষণার ঠিক চার দিন পরেই তাকে ক্রশবিদ্ধ করা হয়!

 
কারন, ততদিনে এই সুদখোর ব্যবসায়ীরা বুঝতে পেরেছিল যে একটা ব্যাংকিং সিস্টেম প্রতিষ্ঠা করতে পারলে পুরো পৃথিবী তাদের হাতের মুঠোয় চলে আসবে আর নবী ইসা(আঃ) এর খেলাফতে,  তা কখনও সম্ভব হবে না!

 
পারস্যদের শাসনামলে, এই সুদ ব্যবসা ও লোনিং সিস্টেম প্রসার লাভ করে ও ব্যাপক উন্নতি করে। সময়ের সাথে এই ব্যাংকিং সিস্টেম এত উন্নত হয় যে, রোমান ইতিহাসবিদ টেসিটাস লিখেন, সিজার(২৭-১৪) ও টিবারাসদের(১৪-৩২) খৃষ্টপূর্বাব্দে
রোমান সাম্রাজ্য পসার লাভ করেছিল এই লোন ডিপোজিট, সুদের ব্যবসা, দালালদের ব্রোকার ফিস ও কর ধার্য করার মাধ্যমে।

 যখন, রোমান সাম্রাজ্যের পতন ঘটে, তখন বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যে,মিশরে ও লোহিত সাগরের পার্শ্ববর্তী আরব দেশগুলোতে এই ব্যাংকিং সিস্টেম প্রসার লাভ করে৷

 
যখন খ্রিস্টান শাসন এলো প্রেক্ষাপটে, তখন পুরোনো টেস্টামেন্টের সহায়তায় সুদ ব্যবসা প্রচলনের স্থায়ী নীতির প্রবর্তন করা হয়! কারন, ওল্ড টেস্টামেন্টে বলা আছে যে, সুদের উপরে ইন্টারেস্ট নেয়া দোষণীয় কিছু না! 

আর, ইহুদি ও খ্রিস্টান ব্যবসায়ীরা এই নীতিকেই বাইবেল মনে করে সুদের বৈধতা ঘোষণা করে। এরপরে, সমগ্র ইউরোপ এই সংক্রামক ব্যাধীতে আক্রান্ত হয় এবং পুরো ইউরোপে এটি ছড়িয়ে পড়ে।

 
ব্যাবসা বাণিজ্যের আন্তর্জাতিকীকরণের মাধ্যমে মধ্যযুগের অবসান হয় এবং অনেক ব্যাংকগুলোকে লেনদেনের জন্য কয়েন তথা মুদ্রা ব্যবহার করার অনুমতি দেয়া হয়। সেসময়, কোনো জাতীয় মুদ্রা ছিল না, আর ব্যাংকগুকো যখন মুদ্রা ব্যবস্থা চালু করে তারা, বিভিন্ন মানের মুদ্রা তৈরি করা শুরু করে যার ফলে, লেনদেনে অনেক সমস্যা দেখা যায় মুদ্রামানের বিভিন্নতার জন্যে! এরপরে, সিদ্ধান্ত নেয়া হয় আন্তর্জাতিক মানের একক মুদ্রা ব্যবস্থা চালু করার! খ্রিস্টানরা সম্রাট ফ্রেডেরিক || এর সময়ে প্রথমে  মুদ্রা চালু করলেও, বিভিন্ন দেশে মুদ্রার মান বিভিন্ন ছিল যেমন পর্তুগালে ‘ডুকাট’, ফ্লোরেন্সের ‘ফ্লোরিন্স’, ফ্রান্সের ‘ এগনেলস’ এবং ভেনিসের ‘সেকুইন্স’ চালু ছিল।

 
ইউরোপে তখন সামন্তবাদ অচল হয়ে পড়েছিল।বহুজাতিক মুক্ত বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা শুরু হয়ে যায় তখন।

**১৬৯৪ সালঃ বিশ্ব অর্থনীতির পতনের বছর”**

রাজা উইলিয়াম ||| একবার অর্থনৈতিক মন্দার শিকার হোন। উইলিয়াম প্যাটারসন নামের এক ব্যবসায়ী রাজার এই দুরাবস্থার কথা শুনে, একদল ব্যাবসায়ী নিয়ে রাজার সাথে দেখা করেন। তারা, রাজাকে ১,২০০,০০০ পাউন্ড স্টারলিং দিতে রাজি হয় এই শর্তে যে রাজা তাদেরকে দুটি বিষয়ে নিঃশর্ত অনুমতি দিবেন আর তা হলোঃ

১. সম্রাট প্যাটারসন ও তার সহযোগীদের একটি চার্টার গঠনের অনুমতি দিতে হবে যার নাম হবে ‘দি ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড ‘।

২.এই ব্যাংকের সর্বোচ্চ অধিকার থাকবে কাগুজে নোটের প্রচলন ও প্রসার ঘটানোর।

সেসময় মানুষের সোনা ও রুপা ভারি হবার দরুন সেগুলো মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করতে বেশ অসুবিধা হচ্ছিল। এগুলো বিদেশে বহন করে নিয়ে যাওয়া যেত না, ভারী হয়ে যেত!

 এরপরের ধাপে, এই সোনা রুপান্তরিত হয় সোনার মুল্যমানের কাগুজে মুদ্রার নোটে! যাকে গোল্ড সার্টিফিকেট বলা হতো। কিন্তু,এখন তা নোট নামেই পরিচিত! অর্থাৎ, আধুনিক ব্যাংক সিস্টেম গোল্ড এর ভান্ডার নিয়ে,  কাগজ দিল আমাদের হাতে! 

ব্রিটেনের রাজার এই অপরিনামদর্শীতার জন্যে, ব্যাংকের হাতে কাগুজে নোটের মুদ্রন ও নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে তাদের হাতে চলে আসল! কখনও যদি তাদের বেশি নোটের প্রয়োজন হতো তারা তা ছাপিয়ে নিত বিনামূল্যে! গোল্ড হলে ত গোল্ড আদায় করে নিতে হতো! এতে তাদের, সুবিধাই হলো বেশি। 

**১৭৭৩ সালের গোপন মিটিং**

১৭৭৩ সালে, স্বনামধন্য স্বর্ণকার ও মুদ্রাকর মায়ের এমশেল বাউয়ের (১৭৪৩-১৮১২)   ১২ জন ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তার আবাসস্থল জার্মানির ফ্রাংকফুটে আমন্ত্রণ জানান।

 
তার উদ্দেশ্য ছিল বৃহৎ! তিনি বিত্তশালীদের একটা জোট গড়ে তুলতে চেয়েছেন যাতে করে এই জোটের মাধ্যমে তিনি বিশ্বের সকল রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রগতিশীল, সামাজিক বিষয়াদি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, বিশেষ করে ব্যাংকিং সিস্টেম যেন তার জোটের পদাগত হয় এবং তিনিই যেন এই ধনীদের প্রধান হর্তা কর্তা হয়ে উঠতে পারেন। তিনি সে বৈঠকে ২৫ টি উপায় উল্লেখ করেন যার মাধ্যমে এই জোট সর্ববেসর্বা  হয়ে উঠতে পারেঃ

১. একাডেমিক শিক্ষণকার্যের পরিবর্তে সন্ত্রাশবাদ ও শোষণের ত্রাশ ছড়িয়ে দিতে হবে বিশ্বব্যাপী।

২. রাজনৈতিক ক্ষমতাকে এককভাবে কুক্ষিগত করার জন্যে লিবারেলিজম আদর্শের প্রসারতা বাড়াতে হবে।

৩. শ্রেণীবৈষম্য বাড়িয়ে তুলতে হবে এবং তা শ্রেণী সংগ্রামে পরিণত করতে হবে।

৪. রাজনৈতিক নেতাদের বানাতে হবে ধূর্ত ও নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত। যদি কোনো নেতার মধ্যে নৈতিক আদর্শ দেখা যায় তবে তাকে ধ্বংস করতে হবে। তবেই ত, নেতারা বিত্তের কাছে বিক্রি হবে। পুঁজিপতিদের হাতের  মুঠোয় আসবে।

৫. সমগ্র সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করতে হবে। বিদ্যমান সকল প্রতিষ্ঠানকে বিনষ্ট করতে হবে।

৬.ততদিন পর্যন্ত অদৃশ্য থাকবে এই জোট যতদিন পর্যন্ত না বিশ্বের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রক তারা হয়ে উঠছে।

৭. জনসাধারণকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্যে ‘মব সাইকোলজি’ ব্যবহার করতে হবে। স্বৈরতন্ত্র ছাড়া কেউ শাসন করতে পারবে না। রাষ্ট্রকে টোটালিটারিয়ান বানাতে হবে।

৮.তরুন সমাজকে পথভ্রষ্ট করতে হবে যেকোনো মাধ্যমে। মদপান, পর্ণোগ্রাফি, ড্রাগসের ব্যবহার বাড়াতে হবে যেন তাদের নৈতিক অধঃপতন হয় আর বৈশ্বিক রাজনীতি আর সমসাময়িক বিষয়তে মনোযোগ দিতে না পারে। এবং, একটি অনুগত ভোগবাদী  শ্রেণী যেন তৈরি হয়।

৯.  বাধ্যতা স্বীকার করানোর জন্যে যেকোনো উপায় ব্যবহার করা যাবে- হোক সেটা সম্পদ থেকে বেদখল করা বা জোর জবরদস্তি করা।

১০. দেশে দেশে যুদ্ধ শুরু করে দিতে হবে বা সংকট তৈরি করতে হবে যেন জোটটি সকল শান্তি চুক্তি করাতে পারে এবং তাদের পছন্দ মত সরকার বসাতে পারে ক্ষমতায়। এভাবে, দেশটির অর্থনীতি ও রাজনীতি তাদের হস্তগত হবে।

১১.এমন সরকারি লোকদের খুঁজে বার করতে হবে যারা তাদের অনুগত হবে এবং যাদের দিয়ে সহযে কাজ বের করে আনতে পারবে। যেন তারা হয়, তাদের দাবার গুটি।

১২.জনগনকে বিশ্বাস করাতে হবে যে তারা শোষিত হচ্ছে, অসন্তোষ জাগিয়ে তুলতে হবে। তারপর, রক্ষকের লেবাসে তাদের সমর্থন অর্জন করতে হবে।

১৩. গনমাধ্যমকে প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানোর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে হবে এবং আর্থিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে যেন তারা জোট বিরোধী কোনো খবর না প্রকাশ করে৷

১৪.অর্থনৈতিক মন্দার আতংক তৈরি করতে হবে। প্রয়োজনে দুর্ভিক্ষের মাধ্যমে অবাধ্য জনগনকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

১৫. ফ্রিমেসনদের নাস্তিকতাবাদ ও ভোগবাদী আদর্শ ছড়িয়ে দিতে হবে বিশ্বব্যাপী।

১৬. যখন আমাদের প্রতিশ্রুত খোদার (এন্টি-ক্রাইস্টঃখ্রিস্ট ধর্মে, দাজ্জালঃ ইসলাম ধর্মে) আসার সময় হবে, পৃথিবীর নিয়ন্ত্রণ তার হাতে তুলে দিতে হবে। তার জন্যে, পৃথিবীকে তার সহযে শাসন করার উপযোগী বানাতে হবে।

১৭. সিস্টেমেটিক প্রলোভন চালু করতে হবে যেমন উচ্চমার্গীয় শ্লোগান ও সাহিত্য ব্যবহার করতে হবে ব্রেইনওয়াশ করার জন্যে।

১৮. সন্রাস আর ত্রাসের রাজত্ব হলো সবচেয়ে সহয ও অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জনগন সহযেই বশ্যতা স্বীকার করে।

১৯. রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উপদেষ্টা হিসেবে দেশে দেশে ছদ্মবেশ ধারণ করতে হবে যেন জনসাধারণ তাদের কুটনৈতিক হিসেবে দেখে। রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক ঘটনাগুলোতে তাদের যে সম্পৃক্ততা আছে তা যেন টের না পায় কেউ। মুখোশ পরে দরজার আড়াল হতে কাজ করতে হবে সন্তর্পণে।

২০. চূড়ান্ত বৈশ্বিক নিয়ন্ত্রণই হলো তাদের লক্ষ্য যা এমন মনোপলি স্থাপন করবে বিশ্বের উপর যাতে করে সরকারগুলো তাদের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকে এবং তাদের ইশারায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। আর, একদম তলানিতে গিয়ে ঠেকবে একসাথেই রাজনৈতিক সংকটে পতিত হয়ে, যদি তারা চায়!

২১. পুঁজিবাদী প্রতিযোগিতা তৈরি করতে হবে যেন তারা এই প্রতিযোগিতায় তাদের সম্পত্তি, মেধা, সুখ সবই হারায় অসম প্রতিযোগিতা ও করারোপের মাধ্যমে।

২২. পুরো মানবজাতির কওমকে বিভক্ত করতে হবে জাতপাত, সাম্প্রদায়িকতার রেষ ধরে। যেন একে অপরকে ধ্বংস করার এই যজ্ঞে সকলে প্রলিতারিয়াতে পরিণত হয়, যারা শাসনাধীনে থাকবে মুষ্টিমেয় কিছু পুঁজিপতির হাতে! এই উদ্দেশ্য সফল করতে, পুলিশ ও সেনাবাহিনী লেলিয়ে দিতে হবে, তাদের অর্থ দিয়ে কিনে নিতে হবে, যেন তারা তাদের বাধ্য হয়।

২৩.একে নাম দেয়া হলো “নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার”। একে, প্রতিষ্ঠিত করার জন্যে একজন ডিকটেটর নিয়োগ করতে হবে। (বুশ ছিল)।

২৪. তরুন যুবা সমাজকে বোকা বানাও, এমনভাবে যে তাদেরকে ভুয়া থিওরি, মতাদর্শে দীক্ষিত করতে হবে, যা তারা নিজেরা মিথ্যে বলে জানে! তাদেরকে, গোমরাহ করা হোক সত্যের পথ হতে!

২৫. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইনগুলোর মধ্যে বৈসাদৃশ্য তৈরি করতে হবে যেন লোকে বিভ্রান্ত হয় আর আন্তর্জাতিক সালিশ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, তাদের অবাধ্য ক্ষমতাসীন ব্যক্তিকে শাস্তি দেবার জন্যে!

এই পরিকল্পনাটি, ধীরে ধীরে বাস্তবায়িত হয়েছিল। বাউয়ের পরবর্তীতে ‘ইলুমিনাতি’র প্রতিষ্ঠাতা এডাম ওয়াসেপ্টের সাথে যুক্ত হোন যার একমাত্র লক্ষ্য ছিল পৃথিবীতে শোষণের শাসন কায়েম করা। এখনো, ফ্রিম্যাসন, ইলুমিনাতি এই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে পর্দার আড়াল হতে৷

 
বাউয়ের পরবর্তীতে তার নাম পরিবর্তন করে রথচাইল্ড রাখেন যার অর্থ “লাল ঢাল”। সে, এটি তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত লাল রঙ্গের লোগো থেকে ধার করে। লোগোটিতে একটি ঈগল থাবা দিয়ে পাঁচটি তীর আঁকড়ে ধরে ছিল। এই, পাঁচটি তীর হলো তার পাঁচ পূত্রের ধারক। পরবর্তীতে এই পাঁচ পূত্রকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয়, রথচাইল্ড ব্যাংকিং ফার্মের শাখা তৈরির উদ্দেশ্যে। জেনে রাখা ভালো যে এই রথচাইল্ড ফেমিলি আসলে জার্মানিতে অভিবাসিত ইহুদি পরিবার।

১. এমশেল- ফ্রাংকফুটে রয়ে যান। আর বিসমার্কের শাসনামলে প্রভূত উন্নতি সাধন করেন।

২.সলোমান- অস্ট্রেয়ার ভিয়েনায় চলে যান। তিনি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের অধিপতি হয়ে উঠেন।

৩.নাথান মায়ের- (এই সেই নাথান মায়ের) ইংল্যান্ডে চলে যান আর ইংল্যান্ডের ব্যাংকিং সিস্টেম প্রতিষ্ঠা করেন।

৪.কার্ল- ইতালিতে ব্যাংকিং জগতে অদ্বিতীয় ব্যক্তি হয়ে উঠেন।

৫.জেমস জ্যাকব- ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং সিস্টেমের গোড়া পত্তন করেন। ফ্রান্সের রাজনীতিতে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে মঞ্চের পিছনে ভূমিকা পালন করেন।

১৮৫০ সাল নাগাদ রথচাইল্ড পরিবার গোটা ইউরোপের ক্ষমতা আর অর্থনীতি নিজেদের করায়ত্ত্বে নিয়ে আসে। এমনকি উইলিয়াম প্যাটারসনও, তার গড়া ইংল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সত্ত্ব হারান নাথান রথচাইল্ডের কাছে! ধূর্ত নাথান এমনেকটি কৌশল অবলম্বন করেন যা গোটা ইউরোপের শেয়ার গুলো তার ও তাদের এজেন্টের হাতে চলে আসে। ফলে, অর্থবিত্তের দিকে রথচাইল্ড পরিবার হয়ে উঠে ইউরোপে অদ্বিতীয়।

নাথান রথচাইল্ড জানতেন ওয়েলিংটন এর কাছে নেপোলিয়নের পরাজয়ের কথা। কিন্তু তিনি, তা চেপে রাখেন নিজের কাছে আর ইংল্যান্ডে ফিরে এসে বললেন, ওয়েলিংটন হেরে গিয়েছেন আর নেপোলিয়ন আসছেন এদিকে। সবাই যুদ্ধে সব হারানোর ভয়ে তাদের  সব স্টক, শেয়ার বিক্রি করে দেশান্তরিত হতে লাগল আর এদিকে নাথান রথচাইল্ড এর এজেন্টরা সে স্টক স্বল্প মুল্যে কিনে ফেলতে লাগল। এভাবেই, গুটি কয়েক দিনের মধ্যে ইংল্যান্ডের সমস্ত শেয়ার হোল্ডিং এর একচ্ছত্র অধিকারী হয়ে গেলেন নাথান!

 
একই পদ্ধতিতে, রকফেলার পরিবারও জাপানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সমস্ত স্টক কিনে ফেলে, তাদের অধীনস্থ সোনি কম্পানি।

 
ফ্রেডেরিখ মর্টন তার বইয়ে লিখেছেন,
” রথচাইল্ডদের সম্পত্তি গঠিত হয়েছেই বহু জাতির দেউলিয়াত্বের উপর”।

ইউরোপের অন্যান্য সম্ভ্রান্ত ধনাঢ্য পরিবারগুলোও এই ” আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ক্লাবে” যুক্ত হতে পারতেন। তাহলে, স্বভাবত মনে প্রশ্ন আসে, আসলে কি প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সহ বিশ্বের যাবতীয় যুদ্ধ কি উপরি মহলের স্বার্থ উদ্ধারের জন্যে সোশালি ইনজিনিয়ার্ড করা হয়েছে, কিংবা সবই কি পরিকল্পিত?

**যুক্তরাষ্ট্রের সাবধানতা**

 
মার্কিনিরা রাজনৈতিকভাবে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল ঠিকই কিন্তু তাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার উপর কিছু সংখ্যক লোকের লোলুপ দৃষ্টি ছিল। তন্মধ্যে আন্তর্জাতিক ব্যাংকারদের একজন এজেন্ট ছিল যার নাম ছিল আলেকজান্ডার হামিলটন যিনি নতুন স্বাধীন হওয়া দেশে একটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। 

থমাস জেফারসন, অনেক বিরোধিতা করলেন এই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিরুদ্ধে। এটি সংবিধান পরিপন্থী বলে তিনি ঘোষণা করলেন। 

যদিও তার বাধা সত্ত্বেও আমেরিকায় ১৭৮১ সালে উত্তর আমেরিকায় একটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক গড়ে উঠে যেটি ইংল্যান্ডের অনুকরণে বানানো হয়েছিল। আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ক্লাব অনেক তদবির করে এই নর্থ ব্যাংকের বন্ধ হয়ে যাওয়া ঠেকায় এবং কেন্দ্রীয়  ব্যাংক গঠনের চার্টার গঠন করতে পারে। এটি, অনুমোদন পায় ২৫ শে ফেব্রুয়ারী, ১৭৯১ সালে। 

ফ্রান্সের ব্যাংকও এমন চার্টার লাভ করার স্বপ্ন দেখতে থাকে যা তারা ২০ বছর পরেও অর্জন করে ঠিকই।

১৮২৬ সালে চার্টারটির অনুমোদনের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল আর পুনরায় অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। এন্ড্রিও জ্যাকসন, এই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারণা করেন। কারন, তিনি জানতেন এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়। 

জ্যাকসন আফসোস করে বলেছিলেন একবার,

,” হায়, যদি মানুষ জানত এই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সম্পর্কে, তবে পরদিন সকালেই তারা এই কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং সিস্টেমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করত।”

 
১৮৩৬ সালে এই চার্টারটির মেয়াদ শেষ হয় ঠিকই কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাংকিং এর প্রভাব সহযে কাটে নি।

 
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, দাসব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে কিন্ত আদতে এটি ছিল রথচাইল্ডদের পরিকল্পিত একটা সামাজিক সংকট যেন তারা ব্যাংকিং সিস্টেমের বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। 

আব্রাহাম লিংকনের তীব্র আপত্তি ও প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ১৮৬৩ সালে সিনেটে নতুন আইন পাস করা হয় যাতে ন্যাশনাল ব্যাংক গঠনের অনুমতি দেওয়া হয়। এই আইনটি, একট প্রাইভেট করপোরেশনকে ক্ষমতা প্রদান করে ব্যাংকিং সিস্টেমকে তদারকি করার জন্যে!

 
পরবর্তীকালে প্রেসিডেন্ট জেমস গারফিল্ড ঠিকই অনুমান করেছিলেন হয়তবা,

 
” যে বা যারা একটি দেশের সমস্ত অর্থকে নিয়ন্ত্রণ করে তারা আসলে সেদেশের সমস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিপালক।”
একটি দেশ এ ব্যবস্থা থেকে সহযে মুক্তি পেতে পারে না। এজন্যে, একটি দেশ সহযেই ঋনগ্রস্ত হয়ে সর্বস্ব হারায় আর কখনও স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারে না। 

১৯১৪ সাল থেকে তারা বহু জাতিকে ঋণগ্রস্ত করার খেলায় নেমেছে। ১৯৩৮ সালে আমেরিকা সম্পূর্ণভাবে বাস্তুহারা হয়ে যায়। মাত্র, ২৫ বছর লাগে এই ফেডারেলের আমেরিকার মত দেশকে ঋণগ্রস্ত করতে। 

এই জন্যেই, জন এফ কেনেডিকেও প্রাণ দিতে হয় এ সম্প্রদায়ের কাছে! কারন, তিনি ৪ বিলিয়ন মুল্যমানের সুদ ছাড়া অর্থ ছাপিয়েছিলেন এবং ছড়িয়ে দিয়েছিলেন দেশ ব্যাপী যা ঐ শকুনদের মাথা ব্যথার কারন হয়ে উঠে! কেনেডির মৃত্যু এখনো, একটি অমীমাংসিত ঘটনা! তিনি মাফিয়া নন বরং এই ফেডারেল মাফিয়া কর্তৃক খুন হয়েছেন, প্রমাণস্বরূপ তার মৃত্যুর পরেই এই ফেডারেলদেরই অর্থব্যবস্থা পুনরায় চালু হয়।

**যুদ্ধের সূত্রপাত**

ফেডারেল ব্যাংক যেহেতু এখন স্থায়ীভাবে আসন গেড়েছে এখন তার নতুন ভাবে আরো অর্থের উৎসের সন্ধান করার হিড়িক জাগল মনে! তাই তারা, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ছক আঁকে যেন যুদ্ধে জড়িয়ে দেশ গুলোর অর্থের প্রয়োজন হয় আর তারা মোটা অংকের সুদের বিনিময়ে সে অর্থ প্রদান করে দেশগুলোকে ঋণগ্রস্ত করবে।

 ঠিক এই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে, আমরা দেখতে পাই ‘গ্রেট ইকোনমিক ডিপ্রেশন’। ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় বলশেভিক নেতৃত্বের সামনের সারিতে ছিলেন- লর্ড আলফ্রেড মিলনার নামের ব্যক্তি যিনি ছিলেন আসলে রথচাইলডদের একজন এজেন্ট এবং এ বিপ্লবের ফলে তিনি “গোলটেবিল” নামক একটি গোপন সংগঠন গঠন করেন যেটির উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বে সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী ধনাঢ্য লোকদের কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত  একক সরকার ব্যবস্থা গঠন করতে হবে,যা বিশ্বে নতুন আদর্শ হিসেবে ছড়িয়ে দিতে হবে।

 
বস্তুত, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারকে অর্থায়ন করেছিল এ সংঘের রকফেলার পরিবার, বিশ্বে অশান্তি ছড়িয়ে দিতে। এমনকি, কোরিয়, ভিয়েতনামিজ যুদ্ধেও তারা অর্থ প্রদান করে চড়া মুল্যের সুদে যা অনেক দেশকে দেউলিয়া করে দেয়।

 আগের দশকের গাল্ফ উপসাগরে সংগঠিত যুদ্ধসমূহ ছিল একেকটি প্রক্সি ওয়ার। তারা শুধুমাত্র পরীক্ষা করেছিল, কত দ্রুত তারা সেনা মোতায়েন করতে পারে এসব অবাধ্য জাতির দেশগুলোতে যারা সুদীয় ব্যাংকিং মাফিয়াদের শাসন মানে না, আর নতুন কারেন্সি তথা অর্থব্যবস্থা তৈরি করে!

 
আর এভাবেই, এই রকফেলার- রথচাইল্ডসহ বর্তমানের পেই প্যাল মাফিয়া( এলন মাস্ক,বিল গেটস, জুকারবার্গসহ অন্যান্যরা, যারা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছেন) আরো ধনী হতে ধনীতম হচ্ছে যেখানে বিশ্বের আম জনতা আরো গরীব থেকে গরীব তরো হচ্ছে!

 
উপরন্তু, তৃতীয় বিশ্ব তথা উন্নোয়নশীল দেশগুলোকে শোষণ করার জন্যে গঠন করা হয়েছে আই এম এফ, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক সহ অন্যান্য ছলনা! যারা লোন দেয়ার নামে ছলছাতুরী করে দেশগুলোর সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে ও দেউলিয়া করে দিচ্ছে। উদাহরণঃ দক্ষিন সুদান, জাম্বিয়া, নাউরু সহ অনেক দেশ!

প্রতিবাদ করবেন এদের বিরুদ্ধে?!

 
ব্ল্যাক ওয়াটার সহ নানান গুপ্ত মাফিয়া সংগঠনের মাধ্যমে গুম করে, জেলে পুরবে আপনাকে অথবা সহয মৃত্যু হিসেবে গুলি করে খতম করবে! আপনি যে এ পৃথিবীতে বেঁচে ছিলেন, সেই অস্তিত্বটুকু অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে মিটিয়ে দিবে।

(ব্ল্যাক ওয়াটার নিয়ে অন্য কোনো একসময় লিখব ইনশাআল্লাহ)।

লেখিকাঃ ফারহীন ন্যান্সি।
সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

Reflections

A decade went lamenting for you, A decade spent ranting about you, A series of decade has gone by blaming

Emancipation

Faulty stars in the sky leading to a faulty love story—well, stars were not deformed. It was our own fault—a

Racing Hearts

It was nice to know you. It’s a pleasure to meet you.  It’s sweet to kiss you.  But it’s horrendous

Addiction

You were not my love. You were merely just an addiction,  Talking with you over the phone, Fighting over

Circles

Love was a priority then. Happiness was destiny. But now love is not predestined. Sometimes it’s a mistake. But mistakes

Sabotage

I was standing on the brink of a montage. But you always end up bringing about sabotage! I overcame the