farheenancy@gmail.com

কেরেনস্কি ও লেনিনের দ্বন্দঃ কি ছিল লেনিনের এপ্রিল থিসিসে?

আলেকজান্দার কারেনেস্কি।

রুশ বিপ্লব- বিংশ শতাব্দীতে তাক লাগানো সবচেয়ে বড় বিপ্লব! এমন একটি বিপ্লব যা অসম্ভবকে প্রায় সম্ভব করেছে। মার্ক্সিজম কে কেতাবি পরিভাষা থেকে বিমুক্তকরণ করে সর্বহারা  শ্রমিকদের সত্যিকার অর্থেই একতাবদ্ধ করেছে! 

এ বিপ্লব মুক্তিকামী জনগনের যেমন বার্তাবাহক হয়েছে, তেমনি বঞ্চিত শ্রমিকের অধিকার আদায়ের জন্য গৃহীত উদ্যোগের সফল বাস্তবায়ন হয়েছে। মার্ক্স এঙ্গেলসের বিলুপ্ত ‘কমিউনিস্ট লীগের’  উত্তরসূরী ও ধ্বজাধারী লেনিন মার্ক্সবাদকে মরে যেতে দেন নি। পুনঃনির্মাণ করেছেন নিজস্ব কিছু অভিজ্ঞান মিশিয়ে যা পরবর্তীতে লেনিনবাদ বলে স্বীকৃত হয়ে, দেশে দেশে বিপ্লবের কারিগর জন্ম দেয়।  লেনিনই সর্বপ্রথম বিপ্লবের নীতিমালা তৈরি করেন, কিভাবে বিপ্লব সংঘটিত করতে হবে সেই বিধিমালা ও শৃঙ্গখলা প্রণয়ন করেন। মার্ক্সবাদকে বিকশিত করেন সসস্ত্ররূপে।
 বস্তুত লেনিন, মাও সেতুং প্রমুখ  বিপ্লবী পার্টির নীতি নির্ধারণ করেন। বিপ্লবীদের অগ্রনায়ক হয়ে পার্টিকে সুসংগঠিত করেন ও চেতনাকে আলাদা করেন কর্ম হতে! যেখানে পার্টির মূলমন্ত্রই হয় বিপ্লব তথা কর্ম সম্পাদন, শুধুই ভাষাগত চেতনা বা এখনকার মত সাইবার কমিউনিজম না। শুধুমাত্র শ্লোগান, মিছিল না তার চাইতে বেশি।আর তা হলো,  ন্যায়ের পথে শামিল হয়ে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অংশগ্রহন করা। 

জারতন্ত্রের পতনের পর ১৯১৭ সালে প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করেছিলেন উদারপন্থী ও সমাজতন্রীরা মিলে। কিন্তু সেই সরকারের পতন ঘটে অক্টোবর বিপ্লবের মাধ্যমে যখন লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক পার্টি ক্ষমতাসীন হয়।

১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে একের পরেক গনবিক্ষোভের মুখে ক্ষমতা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন জার নিকোলাস। তার পতনের পর উদারপন্থী আর সমাজতন্ত্রীরা মিলে একক সরকার গঠন করেছিল৷ তাদের লক্ষ্য ছিল রাশিয়াকে পশ্চিমা ধাঁচের একটি আধুনিক গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তাদের রাজনীতির মুল অনুপ্রেরণা ছিল ফরাসী বিপ্লব।

 রাশিয়ার জার ছিলেন সেসময় পুরোনো,অচল, স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতিনিধি। অন্যদিকে পশ্চিমা বিশ্বের কাছে রাশিয়ার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য আশাব্যঞ্জক প্রতীক ছিলেন একজন তরুন নেতা যার নাম আলেকজান্ডার কেরেনেস্কি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি ছিলেন তিনি। তাঁর উচ্চাবিলাষ ছিল রাশিয়াকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রগতিশীল রাষ্ট্রে পরিনত করা। 

তাদের সেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের লক্ষ্য ছিল রাশিয়ার পক্ষ নিয়ে একটি নতুন শাসনব্যবস্থা গঠন করা। যার ভিত্তি হবে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আকাঙখা অনুযায়ী সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা৷

 যার মাধ্যমে প্রত্যেকের রাজনৈতিক, সামাজিক অধিকার নিশ্চিত হবে। বলা যায়, কেরেনেসকির দর্শন ছিল রাশিয়ায় একটি গনতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। ১৯১৭ সালের বসন্তে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একমাত্র সমাজতন্ত্রী নেতা ছিলেন আলেকজান্দার কারেনেস্কি। সবচাইতে জনপ্রিয় মন্ত্রী৷  

বহু আইন পাস করেছিলেন কেরেনেস্কি এর মধ্যে অন্যতম ছিল ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, পুরোনো বংশগত পদবী বিলুপ্ত করা, নারীদের সমানাধিকার সহ আরো অনেক আইন। মনে করা হয়,কেরেনস্কি ছাড়া কেউই এত আইন পাস করাতে পারতেন না। 

লেনিন।

কেরেনস্কি ছিলেন একজন দুর্দান্ত বক্তা যিনি রাজনৈতিক তত্ত্বকে প্রায় আধ্যাত্মিক ভাষায় প্রকাশ করতে পারতেন। হয়ত সে অর্থে একজন রাজনৈতিক নেতার চেয়ে একজন ধর্মযাজকের সাথে তার বেশি মিল ছিল। কিন্তু জনপ্রিয়তার স্রোতে ভাসতে থাকা কেরেনস্কি বিপদ আন্দাজ করতে ভুল করেছিলেন। 

আরেকজন সম্মোহনকারী নেতা ভ্লাদিমির লেনিন সুইজারল্যান্ড হতে দীর্ঘ দশ বছরের নির্বাসন শেষে তখনকার রাশিয়ার রাজধানী সেন্টপিটার্সবার্গ এলেন।  লেনিন এবার হয়ত বুঝেছিলেন যে রাজনৈতিক শুন্যতার অঙ্গনে এখন তিনি ঝোপ বুঝে কোপ মারতে পারবেন এবং ফাঁকা মাঠে গোল করা নিদেনপক্ষে সহয হবে। 

শুরু থেকেই লেনিন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাত করতে আন্দোলনের ডাক দিতে থাকেন। তাঁর ভাষায়, ঐ সরকার ছিল একটি ভুয়া পুঁজিবাদী সরকার। বিদেশি শক্তি বিশেষ করে পরাশক্তি ব্রিটেন, ফ্রান্সের দালাল। বাস্তবে লেনিন তার পুরো রাজনৈতিক জীবনে উদারনৈতিক কোনো সরকারকে ভালো চোখে দেখেন নি। 

সমসাময়িক দুজন রাজনৈতিক নেতার মধ্যে এরচেয়ে বেশি বৈপরীত্য কল্পনা করা যায় না যতটা লেনিন আর কেরেনস্কির মধ্যে ছিল। কেরেনস্কির আবেদন ছিল তার আধ্যাত্মিক নীতি আর লেনিনের ছিল জোরালো শ্লোগানধর্মী বিপ্লবী চেতনা।লেনিন নির্ভর করতেন সহিংসতার ভাষার উপর। জোর দিতেন সামরিক শৃঙখলার উপর গঠিত সরকারের উপর।

 তাই তো,অনেক বছর পর বিবিসিতে ইতিহাসবিদ এলেনা শাপিরোকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে কেরেনস্কি স্বীকার করেছিলেন যে, 

‘তিনি লেনিন ও বলশেভিকদের উপযুক্ত গুরত্ব দিতে ভুল করেছিলেন। সেসময় বলশেভিকদের গুরত্ব খুব একটা বেশি ছিল না। তারা ছিল সংখ্যালঘু। ‘ 

তবুও আমরা দেখতে পাই,  পরবর্তী দৃশ্যপটে কার্যত লেনিনের জয় হয়৷ বিপ্লবের জয় হয়। সাধারণ একতাবদ্ধ  শ্রমিকদের সম্মিলিত শক্তির জয় হয়। মজলুমের কন্ঠের জয় হয়।

১৯১৭ সালের জুলাই মাসে কেরেনস্কি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হলেন এবং তিনি এসে উঠলেন উইন্টার প্যালেস বা শীতপ্রাসাদে যা ছিল জারের সাবেক বাসভবন। অনেকেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন যে কেরেনস্কি নেপোলিয়নের মত উচ্চাবিলাষী। কিন্তু কেরেনস্কি নিজেকে দেখতেন রাশিয়ার উত্তপ্ত পরিবেশের মধ্যে অতি বাম এবং অতি ডানদের মধ্যে এক সেতুবন্ধন হিসেবে। 

তাকে নিয়ে জনরোষের কারন হচ্ছে সামরিক বাহিনীর অনিয়ন্ত্রিন। বস্তুত, সামরিক বাহিনীর উপর তার কোনো ক্ষমতা ছিল না। তিনি ছিলেন এক বিভ্রমে যে সবকিছুই তার অধীনস্থ। কিন্তু, সামরিক বাহিনীর শৃঙ্খলা বা চেইন অব কমান্ড ততদিনে ভেঙ্গে পড়েছে। কেরেনস্কি যাকে সেনাবাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে অধিষ্ঠিত করেছেন তিনি কেরেনস্কিকে পাশ কাটিয়ে সামরিক একনায়কতন্ত্র গড়ে তুলার স্বপ্ন দেখছিলেন। অন্তত, বেশির ভাগ ইতিহাসবিদ এমনটাই ভাবেন।

ভ্লাদিমির লেনিন।

কেরেনস্কির উপর তখন কারোরই আস্থা ছিল না। অক্টোবরের শুরুর দিকে কেরেনস্কির কর্তৃত্ব ভেঙ্গে পড়ল। অন্যদিকে লেনিনের চাপে বিপ্লবী বলশেভিকরা একটি সামরিক অভ্যুত্থান ঘটানোর জন্যে এক গোপন প্রস্তাব পাশ করল। অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করা হলেও তা কবে হবে তার নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয় নি। বেশিরভাগ বলশেভিকের ধারণা ছিল যে এটি পরের বছরের আগে হবে না কিন্তু লেনিন জোর দিয়ে বললেন যা করার দ্রুত করতে হবে৷ তিনি ঠিক করলেন রাশিয়ার পুরোনো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী অক্টোবরের ২৫ তারিখ অভ্যুত্থান হবে। যা ইউরোপীয় ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ৭ই নভেম্বর। পেত্রোগার্দের মোতায়েন কৃত লোকদের মধ্যে যে বলশেভিক সমর্থকরা ছিল তাদের দিয়ে সশস্ত্র পাহারা বসানো হলো।

 কেরেনসকি সেদিন সকাল বেলা পালিয়ে গিয়েছিলেন। তার লক্ষ্য ছিল সামরিক বাহিনির মধ্যে তাদের সমর্থক লোকদের দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে রক্ষা করা। এবং তিনি পালিয়েছিলেন আমেরিকান দূতাবাস থেকে চুরি করা একটি গাড়িতে। কারন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে একটি টেক্সিও ছিল না। তাঁর অনুপস্থিতিতে  লেনিন রাজধানীতে এলেন। 

লেনিন খুব ক্ষুব্ধ ছিলেন কারন বলশেভিকরা  অভ্যুত্থান শুরু করার তখনও কোনো প্রস্তুতি নেয় নি। তিনি তখন তার পার্টি অফিসের দিকে রওনা দিলেন। পথিমধ্যে কেরেনস্কির অনুগত একটি পুলিশ দল তাকে আটকায়। তারা লেনিনকে দেখেও চিনতে পারল না! কারন সেসময়ে তিনি পরিহিত ছিলেন পরচুলা! তারা তাকে একটা মাতাল ভেবে ভুল করল।

 এটাই ছিল, কেরেনস্কি সরকারের জন্য এক মারাত্মক ভুল সিদ্ধান্ত। কারন তখন, যদি লেনিনকে আটক করা যেত তবে  অভ্যুত্থানই হত না। 

অতঃপর বলশেভিকরা উইন্টার প্যালেসে আক্রমণ করল। কেরেনস্কির অবশিষ্ট কয়েক জন মন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হলো। লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিকরা সোভিয়েতের ক্ষমতা দখল করে একদীয় একনায়কতন্ত্রের শাসনব্যবস্থা কায়েম করল। 

অন্য সবার মত কেরেনস্কিও আশা করেন নি যে বলশেভিকদের শাসন খুব বেশিদিন টিকবে। অভ্যুত্থানের পর তিনি গ্রামে চলে গেলেন এবং সৈন্য সংগ্রহ করে লেনিনের অনুগত বিদ্রোহীদের আক্রমণের চেষ্টা করলেন৷ কিন্তু যখন সে চেষ্টা ব্যর্থ হল কেরেনস্কি রাশিয়া ছেড়ে পালিয়ে গেলেন।। বাকি জীবন নির্বাসনেই কাটাতে হয় কেরেনস্কিকে। নির্বাসনে থাকাকালীন তিনি মারা যান নিউইয়র্ক শহরে ১৯৭০ সালে। 

লেনিন।

* কি ছিল লেনিনের এপ্রিল থিসিসে?**

দীর্ঘ দশবছরের নির্বাসন শেষে  ১৯১৭ সালের ১৬ই এপ্রিল রাশিয়ায় প্রত্যাবর্তন করে লেনিন বলশেভিক কর্মীদের কাছে একটি কর্মধারা প্রকাশ করেন। লেনিনের এই কর্মধারাই রাশিয়ার ইতিহাসে ” এপ্রিল থিসিস” নামে পরিচিত। বলশেভিক পত্রিকা ‘পাভদা’ থেকে তা প্রকাশিত হয়। লেনিন ঘোষণা করেন,  

‘We do not need any Government except the Soviet workers, Soldiers and farmland deputies.’ 

যার তর্জমা দাঁড়ায় তদ্রুপ, 

‘ আমরা শ্রমিক, কৃষক ও সৈনিকের সোভিয়েত ছাড়া 

অন্য কোনো সরকার চাই না। ‘ 

**এপ্রিল থিসিসের পটভূমি** 

জার রোমানভ বংশের পতন ঘটলেও রাশিয়ায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসে নি।একে একে লুভভ আর কেরেনস্কির নেতৃত্বেও অস্থায়ী সরকার গঠিত হলেও সেসব সরকারের সাথে শ্রমিক পরিষদের বিবাদ, মতানৈক্য লেগেই ছিল। পরিশেষে, কেরেনস্কি বলশেভিকদের ঐক্যের জন্য আহবান জানালে ভবিষ্যত কর্মপন্থা হিসেবে লেনিন তার বিখ্যাত ‘এপ্রিল তত্ত্ব’ প্রকাশ করেন। 

**এপ্রিল থিসিসের মুল বক্তব্য** 

১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবে স্বৈরাচারী জারতন্ত্রের উচ্ছেদ হলেও পরিণত কোনো রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসে নি। জনগনের শাসন ও শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার কেউ প্রতিষ্ঠিত করতে পারে নি। বরং প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল একটি আপাদমস্তক পশ্চিমা ঘরাণার বুঁর্জোয়া প্রজাতান্ত্রিক সরকার। তাই, এই থিসিসে লেনিন ঘোষণা করেন….. 

১. বুঁজোয়া সরকার ইংরেজ ও ফরাসীদের দালাল-শ্রমিক কৃষকের শত্রু। 

২. এদের উচ্ছেদ ঘটিয়ে সোভিয়েত শাসিত সরকারের নেতৃত্বে শ্রমিক, কৃষক, সৈনিক ও সাধারণ মানুষের ঐক্যের মাধ্যমে রাশিয়ায় সর্বহারার একনায়কত্ত্ব কায়েম করতে হবে। 

৩. যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। 

৪. জমিদারদের জমি বাজেয়াপ্ত করে কৃষকদের মধ্যে বন্টন করে দিতে হবে। তবে, জমিদারদের কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়া যাবে না।

৫. বলশেভিকগন কমিউনিস্ট নামে পরিচিতি লাভ করবেন।

লেনিন তার ‘এপ্রিল থিসিসে’ বলেছিলেন যে গ্রামে ও শহরে শ্রমিক শ্রেণির দ্বারা গঠিত সোভিয়েত গুলোর কেন্দ্রীয় শাসন দখল করবে এবং কেন্দ্রের বুর্জোয়া সরকারকে উৎখাত করবে। কারন, এই বুর্জোয়া সরকার কখনো শ্রমিকের উন্নতি করবে না। এই কারনে শ্রমিক কৃষকরা শুধুই সোভিয়েতের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করবে। 

সোশ্যাল ডেমোক্রেট অংশের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ অর্থাৎ বলশেভিকরা ‘এপ্রিল থিসিস’ কে সমর্থন করে যেখানে সংখ্যালঘিষ্ঠ মেনশেভিকরা তার বিরোধিতা করে। 

কিন্তু কিছুই দমাতে পারে নি ক্রুব্ধ লেনিনের জ্বালাময়ী বিপ্লব যা পুরো বিশ্বের ইতিহাস পাল্টে দেয়। একমেরুর বিশ্বব্যবস্থায় দিমেরুকরণের রাজনীতি শুরু করেন যা এখন স্নায়ুযুদ্ধ শেষে বহুমেরুকরণের রাজনীতিতে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে, চীনের পরাশক্তি হিসেবে নব উত্থানে নতুন করে স্নায়ুযুদ্ধ ২ শুরু হচ্ছে কিনা নাকি বহুমেরুর রাজনীতিতে নতুন নতুন আরো পরাশক্তির উত্থান হচ্ছে, তাই দেখবার পালা! 

লেখিকাঃ ফারহীন ন্যান্সি। 

farheenancy@gmail.com

Incapable

 Now you know,  The permanent damage that you’ve done. They call it survival,  But, I named it silence.  A disease

Numbness Towards The Collective

The sadness in my eyes has numbed the empathy towards the pain of the collective. I no longer read the

Contempt for the Culture that Shaped You

In knowing you, little by little, I cannot deny, That the flaw was not in your nature but in the

Asymmetrical relationship with the cockroach

The cockroach did not know that evolution never taught humans to befriend it, And, It didn’t learn to hide. It

Blue Whale

There was an ocean within me once, It was deep,blue,wide. In that deep blue ocean- Tides shone so bright, Faith

No bond lasts long

Why don’t you believe in people anymore?! – Cause, I don’t want anyone to exploit my reason. How’s that like?!